মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

এক নজরে বদরখালী

বৃটিশ-ভারতে মুসলিম রেনেসাঁ আন্দোলনের পুরো ভাগেছিলেন যথাক্রমে : আনোয়ারুল আজিম (বার,এট-ল), খান বাহাদুর আবদুস সাত্তার, মৌলভী আবদুল হক দোভাষ, রাহাত আলী চৌধুরী ও মৌলভী এখলাছুর রহমান প্রমুখ ব্যক্তিবর্গ। এরাসামন্ত শ্রেণির প্রতিনিধি হলে ও জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের মতা দর্শে ছিলেন উদ্বুদ্ধ। বৃটিশ শাসক গোষ্ঠীর প্রতিনিধি সামন্ত-জমিদারবি পরীতে উপেক্ষিত এই জাতীয়তা বাদীদের‘সামাজিক ক্ষমতার শীর্ষ বিন্দুতে অবস্থান’ নিয়ে একটি সামাজিক দ্বন্দ্ব ক্রিয়া শীলছিল। নিজেদের সামাজিক অবস্থান সুসংহত করার প্রয়োজনে তাঁরা সমবায় আন্দোলন কেসর্বত্র ছড়িয়ে দেয়াকে প্রধান ও পবিত্র দায়িত্ব বলে মনে করেন।
১৯২৬ সালের গোড়া রদিকে চট্টগ্রামে এই মুসলিম রেনেসাঁ আন্দোলনের সমর্থক বৃন্দ সমবায় আন্দোলনে রবিকাশে অগ্রনী ভূমিকা পালন করেন। ফলত: ১৯২৬ সালের ৩ ডিসেম্বর সংগঠিত ও নিবন্ধিতহয়‘‘চট্টগ্রাম জেলা সমবায় কৃষক সমিতিলি:’’। তৎপূর্বে অনুষ্ঠিত এক সাধারণ সভায় সর্ব জনাব আনোয়ারুল আজিম (বার,এট-ল)সভাপতি ও এখলাছুর রহমান সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। চট্টগ্রাম পৌরসভার তদানিন্তন চেয়ারম্যান জনাবনুর আহাম্মদ ও মৌলভী আবদুল হক দোভাষ সহ অন্যান্যদের নিয়ে গঠিত হয় ২১ সদস্য বিশিষ্ট কার্য করীকমিটি। সে সভায় খান বাহাদুর আবদু সছাত্তার সহ ৩০ জন উপস্থিত ছিলেন। সভাটিতে যুগপৎ প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন সমিতি সদস্য ও ব্যক্তি সদস্য। সৃষ্ট এই সমিতিটি ছিল মিশ্রধরণের। এই কেন্দ্রীয় সমিতি সমুদ্র উপকূলবর্তী চকরিয়া সুন্দরবন অন্তর্গত রিংভং, সোনা ছড়া, মালুম ঘাট, বদরখালী এবং

কর্ণফুলী নদীর অন্তর্গত হাল দাখালে রমুখে চর মোহরা, রাজাখালীর মুখে বাকলিয়ার চর, রাজাখালীর দক্ষিণ-পূর্বের চর, চাক্তাই এলাকা গুলোতে ভূমিহীনদের সমবায়ের মাধ্যমে পুর্নবাসন করার সিদ্ধান্ত নেয় এবং কথিত এলাকা সমূহ বন্দোবস্তী নেওয়ার জন্য তৎকালীন রাজস্ব বিভাগের নিকট আবেদন করেন।
১৯২৭ সালের ৩০ মার্চ তৎকালীন বেঙ্গল সমবায় নিবন্ধক চট্টগ্রাম জেলা সমবায় কৃষক সমিতি পরিদর্শন করেন। সমিতি পরিদর্শন কালে তিনি পরিদর্শন মন্তব্যে কেন্দ্রীয় সমিতির আওতায় ভূমিহীনদের নতুন নতুন প্রাথমিক সমিতি সংগঠিত করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তারই প্রেক্ষিতে মাতার বাড়ী ও বদরখালীতে একটি কলোনাইজেশন সমিতি সংগঠিত করার জন্য চট্টগ্রাম জেলা সমবায় কৃষক সমিতি ১৯২৮ সালের ২৫ জুন তারিখে অনুষ্ঠিত কার্যকরী কমিটির এক সভায় সিদ্ধান্ত নেয়। বিষয়টিকে আরো তরান্বিত করে ঐ সময় সমবায় বিভাগ কর্তৃক সমুদ্র উপকূলবর্তী জেগে ওঠা খাস জমি সমবায়ের ভিত্তিতে সদ্ব ব্যবহার কল্পে একটি পরিকল্পনা দাখিলের প্রেক্ষিতে।
বদরখালীতে সমিতি সংগঠিত করার অনুকুলে তৎকালীন চট্টগ্রাম বিভাগের কমিশনারের সুপারিশ ক্রমে ১৯২৮ সালের ৬ আগষ্ট কোলকাতা গেজেটে প্রকাশিত ১৫২০৮ (বন) নং নোটিফিকেশনের মাধ্যমে বদরখালী মৌজার ৩৯১০.৪০ একর জমি সরকার বন বিভাগ হতে ছেড়ে দেন। উল্লেখিত ৩৯১০.৪০ একর জমি সমিতি গঠনের সপক্ষে কার্যত: নির্ধারিত হলে ১৯২৯ সালের ২৭ মার্চের ৫১৭৫ নং আরএস স্মারক মূলে অনুমোদিত প্রস্তাবানুসারে ১৯৩০ সালে আইনানুগ ভাবে গঠিত হয়‘‘ বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতি’’।

 

ছবি


সংযুক্তি



Share with :

Facebook Twitter